আইপিএলের নিয়ম অনুযায়ী একাদশে সাধারণত সাতজন ভারতীয় ও চারজন বিদেশি ক্রিকেটার থাকতে পারেন। ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারের নিয়ম আসার পর অতিরিক্ত একজন খেলোয়াড় নেওয়ার সুযোগ থাকলেও বিদেশির সংখ্যা চারেই সীমাবদ্ধ থাকে।
তবে আইপিএলের সর্বকালের সেরা একাদশ বেছে নিতে গিয়ে সেই প্রচলিত নিয়মই ভেঙেছেন ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক জস বাটলার। তার নির্বাচিত দলে রয়েছেন ৭ জন বিদেশি এবং মাত্র ৪ জন ভারতীয় ক্রিকেটার।
এখানেই শেষ নয়—বাটলারের এই দলে জায়গা হয়নি ভারতের দুই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং সূর্যকুমার যাদবের। বাদ পড়েছেন ৬টি আইপিএল ট্রফি জয়ী ও ভারতের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়াও। এমনকি নিজেকেও দলে রাখেননি বাটলার। ডেভিড ওয়ার্নারের মতো তারকারও জায়গা হয়নি তার একাদশে।
ইংল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার স্টুয়ার্ট ব্রডের ‘ফর দ্য লাভ অব ক্রিকেট’ পডকাস্টে এসে নিজের এই সেরা একাদশ প্রকাশ করেন বাটলার।
তার দলে ওপেনার হিসেবে আছেন বিরাট কোহলি ও ক্রিস গেইল। অর্থাৎ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর সবচেয়ে সফল ওপেনিং জুটিকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। আইপিএলে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কোহলি এবং বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত গেইল—দুজনেই দলে জায়গা পেয়েছেন স্বাভাবিকভাবেই।
তিন নম্বরে আছেন সুরেশ রায়না। দীর্ঘদিন চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে এই পজিশনে খেলে দলের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি। সিএসকেকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করতেও বড় অবদান রেখেছেন রায়না, যাকে বাটলার “মিস্টার আইপিএল” বলে উল্লেখ করেছেন।
চার নম্বরে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কিংবদন্তি এবি ডি ভিলিয়ার্স। উইকেটরক্ষক হিসেবে বাটলারের দলে আছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।
অলরাউন্ডার বিভাগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের তিন তারকা কাইরন পোলার্ড, আন্দ্রে রাসেল ও সুনীল নারিনকে রেখেছেন বাটলার। এরপর স্পিন বিভাগে আছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান।
পেস আক্রমণে জায়গা পেয়েছেন শ্রীলঙ্কার লাসিথ মালিঙ্গা এবং ভারতের জাসপ্রিত বুমরাহ।
তবে অধিনায়ক হিসেবে কাউকে নির্দিষ্ট করেননি বাটলার। এছাড়া কোনো ইমপ্যাক্ট প্লেয়ারও রাখেননি তার এই সর্বকালের সেরা একাদশে।
