শরণখোলার এক ডোবার পাশে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায় এনায়েত জমাদ্দারকে। শরীরে বিষের প্রভাব, আঘাতের চিহ্ন—সব মিলিয়ে ঘটনাটা কেমন যেন গা ছমছমে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে শরণখোলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, পরে খুলনা ইসলামী হাসপাতালে নিয়ে যায়। ডাক্তাররা বলছেন, বিষপানের পাশাপাশি তার শরীরে জোরপূর্বক আঘাতের লক্ষণও স্পষ্ট।
এনায়েতের স্ত্রী আকলিমা বেগমের কথায়, "সেদিন রাত ৯টায় ফোনে বলেছিলেন, ১০ মিনিটে বাড়ি আসছেন। কিন্তু ত্রিশ মিনিট পর ফোন দিলে আর পাওয়া যায়নি।" পরিবারের দাবি, এনায়েত কখনোই আত্মহত্যা করতে পারেন না। তাদের ভাষ্য, কিছু স্থানীয় যুবকের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল, আর তিনি বিএনপির কর্মী হওয়ায় রাজনৈতিক শত্রুতাও থাকতে পারে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, এনায়েতকে গাছের পাতা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল, বুকের ওপর চাপ দেওয়া হয়েছিল গাছের ডাল। পরিবারের সদস্য সোহাগ জমাদ্দার অভিযোগ করেন, "আগেও আমাদের বাড়িতে হামলা হয়েছে। এবার এনায়েত ভাইকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে।"
পুলিশ অবশ্য এখনো নিশ্চিত নয় ঘটনার প্রকৃতি। শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহিদুল্লাহ বলেন, "এনায়েতের জ্ঞান ফেরার পরই বিস্তারিত জানা যাবে। তবে আমরা সব সম্ভাব্য দিক খতিয়ে দেখছি।"
স্থানীয়রা এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, "যারা এমন নৃশংস কাজ করেছে, তাদের কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।" এনায়েতের সুস্থতা কামনা করে এলাকাবাসী এখনো হাসপাতালে ভিড় করছেন।
#বাগেরহাট #বিএনপি_কর্মী #রহস্যজনক_ঘটনা #পরিকল্পিত_হত্যাচেষ্টা #ন্যায়বিচার_চাই
