মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও নিরাপত্তা বাহিনী কারাগারে বন্দিদের উপর পদ্ধতিগতভাবে অকথ্য নির্যাতন চালাচ্ছে— এমন шокирующие তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত সংস্থা আইআইএমএম। মঙ্গলবার প্রকাশিত ১৬ পৃষ্ঠার রিপোর্টে এসব ভয়াবহ বিবরণ উঠে এসেছে।
কী ঘটছে কারাগারে?
রিপোর্টে বলা হয়েছে, বন্দিদের উপর চলছে:
নির্মম পিটুনি
বৈদ্যুতিক শক দেওয়া
সংঘবদ্ধ ধর্ষণ
শ্বাসরোধ করে নির্যাতন
প্লায়ার্স দিয়ে নখ উপড়ে ফেলা
এসব নির্যাতনে অনেক বন্দি প্রাণ হারিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে এমন শিশুও আছে যাদের নিখোঁজ বাবা-মায়ের বদলে অবৈধভাবে আটক রাখা হয়েছে!
জাতিসংঘের বক্তব্য:
আইআইএমএম-এর প্রধান নিকোলাস কুমজিয়ান বলেন, "আমরা প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষ্য ও শক্ত প্রমাণ পেয়েছি, যা প্রমাণ করে মিয়ানমারে নির্যাতন একটি পদ্ধতিগত ব্যাপার।"
সামরিক জান্তার চুপচাপ:
কিছু উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করা হলেও তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। মিয়ানমারের সামরিক সরকার এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আগে তারা সব অভিযোগ অস্বীকার করে দোষ চাপিয়েছে 'সন্ত্রাসীদের' উপর।
রিপোর্টের ভিত্তি:
এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে ২০২২ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুন পর্যন্ত এক বছরের তথ্যের ভিত্তিতে। এতে ব্যবহার করা হয়েছে:
১,৩০০-এর বেশি সূত্র থেকে পাওয়া নথি
ফরেনসিক প্রমাণ
শতাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য
মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতি:
২০২১ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমারে গৃহযুদ্ধ চলছে। লাখ লাখ মানুষ এখনও কারাগারে আটক। তাদের অনেকেই এই নির্মম নির্যাতনের শিকার।
