শ্রীলংকায় জরুরি অবস্থা জারি
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে জরুরি অবস্থা কার্যকর হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে।
নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যদিয়ে যাচ্ছে শ্রীলংকা। সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলছে দীর্ঘদিন ধরে। শুক্রবারও রাজপথে অন্তর্বাস প্রদর্শন করে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ মানুষ। পরিস্থিতি সামাল দিতেই জরুরি অবস্থা ঘোষণা করলেন প্রেসিডেন্ট।
অর্থনৈতিক দুরবস্থা মোকাবেলায় সরকার কার্যত কোনো পদক্ষেপ নিতে না পারায় দিনকে দিন খারাপ হচ্ছে পরিস্থিতি। মানুষের হাতে টাকা নেই। খাদ্য ও ওষুধসহ জরুরি পণ্য বিদেশ থেকে আমদানী করার সামর্থ্য নেই সরকারের। বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ নগদ ও পণ্য সহায়তা দিয়ে শ্রীলংকাকে সাহায্য করছে।
দেশটির দেউলিয়া অবস্থার জন্য অনেকেই রাজাপাকসে সরকারের দুর্নীতি, উচ্চাকাক্সক্ষা ও স্বজনপ্রীতিকে দায়ী করছেন। জনরোষে পড়েছেন প্রশাসনের বিভিন্ন পদে থাকা রাজাপাকসে পরিবারের সদস্যরা।
গত কয়েক দশক ধরে দেশটির শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন শীর্ষ পদে রাজাপাকসে পরিবারের মোট ৫ জন সদস্যের হাতেই কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে শ্রীলংকার রাজনীতি ও অর্থনীতির প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ। তারা হলেন প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসে, তার তিন ছোট ভাই বর্তমান প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে, বাসিল রাজাপাকসে, চামাল রাজাপাকসে ও মাহিন্দার ছেলে নামাল রাজাপাকসে।
বার্তাসংস্থা এএফপি এই ৫ প্রভাবশালীর প্রোফাইল তৈরি করেছে। এতে দলনেতা বা পালের গোদা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে মাহিন্দাকেই।


