ওই সাক্ষাতে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট Alexander Lukashenko বলেছেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে বড় শক্তিগুলো—ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র—বুঝতে হবে যে এই সংঘাত বিশ্বকে অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। তিনি বলেন, “যুদ্ধ আমাদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই অগ্রহণযোগ্য।”
লুকাশেঙ্কো আরও যোগ করেছেন, ইরানের ওপর ইসরায়েলি ও মার্কিন হামলা অগ্রহণযোগ্য। বিশেষ করে, এই হামলার ফলে নিরপরাধ নাগরিকদের প্রাণহানি ঘটে, এবং সবচেয়ে ভয়াবহ হচ্ছে, শিশুদের মৃত্যু। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা Ali Khamenei-ও শহীদ হন।
বৈঠকে লুকাশেঙ্কো ইরানের রাষ্ট্রদূতকে প্রশ্ন করেন, “এই বিরোধের মধ্যে আমাদের অবস্থান বিবেচনা করে, আমরা কীভাবে আপনাকে সাহায্য করতে পারি?”
এদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এক মার্কিন ব্যবহারকারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মাত্র চার দিনের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যে তার সমস্ত সামরিক ঘাঁটি হারিয়েছে। এগুলো তৈরি ও সজ্জিত করতে ৭০ বছর সময় লেগেছে এবং বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে।
লুকাশেঙ্কোর এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে ইরানের পাশে সহমর্মিতা এবং সহায়তার বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
