যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের একটি ‘প্রকৃত’ সংলাপের পথে তিনটি বড় বাধা রয়েছে বলে মনে করছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তার মতে, এই বাধাগুলো হলো— প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন, ইরানের সামুদ্রিক বন্দরগুলোতে অবরোধ এবং হুমকি।
গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন, (ইরানি বন্দরগুলোতে) অবরোধ এবং হুমকি— এগুলোই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি প্রকৃত সংলাপের পথে প্রধান অন্তরায়।”
ইরানের পরমাণু প্রকল্প ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে কয়েক বছর ধরেই উত্তেজনা চলছিল। এরই মধ্যে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে যৌথ সামরিক অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। টানা ৪০ দিনের সেই অভিযানের পর ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে দুই দেশ।
যুদ্ধবিরতির পর ১১ এপ্রিল স্থায়ী শান্তি চুক্তির লক্ষ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ-এ সংলাপে বসেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। তবে প্রায় ২১ ঘণ্টা আলোচনা চলার পরও সেই বৈঠক কোনো সমাধান ছাড়াই ব্যর্থ হয়।
ইসলামাবাদের এই প্রথম দফার বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকেই দায়ী করেছেন পেজেশকিয়ান। বুধবার দেওয়া এক্সবার্তায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে বলেন, “আপনাদের একটানা ভণ্ডামি এবং প্রতিশ্রুতি ও বাস্তব পদক্ষেপের মধ্যে ফারাক গোটা বিশ্ব দেখছে।”
অন্যদিকে, ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের ঘালিবাফ আলাদা এক বার্তায় বলেন, “একটি কার্যকর যুদ্ধবিরতি তখনই অর্থবহ হবে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেবে।”
