অব্যাহতি পাওয়া সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় দায়ের হওয়া একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিউ মার্কেট থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ আগস্ট) রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার সকালে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
এর আগে গত ৬ আগস্ট মেজর জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন।
তিনি ২০২২ সাল থেকে এনটিএমসির মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে তিনি ওই কোম্পানির পরিচালক ছিলেন।
২০০৯ সালের র্যাব-২ এর সহঅধিনায়ক হন জিয়াউল আহসান। একই বছর তিনি লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদে পদোন্নতি পান এবং র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক নিযুক্ত হন। সে সময় থেকেই তাকে নিয়ে নানা বিতর্কের সৃষ্টি হয়।
যে মামলায় গ্রেপ্তার হলেন জিয়াউল আহসান
রাজধানীর নিউ মার্কেট থানায় দায়ের করা একটি হত্যা মামলায় সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আজ শুক্রবার সকালে তাকে মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগ ও দেশ ছাড়ার এক দিন পর সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদে বড় রদবদল করা হয়।
এর অংশ হিসেবে গত ৬ আগস্ট এক বিজ্ঞপ্তিতে মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিষয়ে
২০২২ সালের ৫ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক আদেশে ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালকের (ডিজি) দায়িত্ব দেওয়া হয় মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে।
জিয়াউল আহসান ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। তিনি সেনাবাহিনীর একজন প্রশিক্ষিত কমান্ডো ও প্যারাট্রুপার।
২০০৯ সালের ৫ মার্চ র্যাব-২-এর উপ-অধিনায়ক ও একই বছর লে. কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক হন তিনি।
২০১৩ সালের ডিসেম্বরে তিনি কর্নেল হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখার অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছিলেন।


