শান্তর সেঞ্চুরির পর মুমিনুলও প্রায় টেনে নিচ্ছিলেন নিজের শতক, কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না! নোমান আলির ফাঁদে ৯১ রানেই হার মানলেন বাঁহাতি ওপেনার

মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে কী সুন্দরই না খেলছিলেন মুমিনুল হক। শান্ত সেঞ্চুরি করে সাজঘরে ফেরার পর মুশফিকের সঙ্গ নিয়ে যেন আরও আগ্রাসী হয়ে ওঠেন তিনি। সেঞ্চুরি তো একদম হাতের মুঠোয়! কিন্তু না, শেষ রক্ষা হলো না। ৯ রানের আক্ষেপ বুকে নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো এই বাঁহাতি ব্যাটারকে।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৮১ রান। ক্রিজে মুশফিক ৩৬ ও লিটন দাস ২ রানে ব্যাট করছেন।

শেষবার সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। এরপর ছয় ইনিংসেই ৫০ ছুঁয়েছিলেন, কিন্তু তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার পেরোতে পারেননি। তাই আজ ফিফটি পাওয়ার পরও সাবধানী খেলছিলেন মুমিনুল। সুযোগ বুঝে রান তুলছিলেন। কিন্তু নোমান আলির বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে বসতে হলো তাকে। আম্পায়ার সঙ্গে সঙ্গে আঙুল তুললেন।

মুশফিকের সঙ্গে দ্রুত পরামর্শ করে রিভিউ নিলেন মুমিনুল। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। ৯১ রানেই ফিরতে হলো তাকে। ২০০ বলের দারুণ এই ইনিংসে ছিল ১০টি চার।

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরু করতে পারেনি বাংলাদেশ। দুই ওপেনার ফিরে গেলেও শান্ত আর মুমিনুল মিলে গড়েন বড় জুটি। শান্ত ফেরার পর মুশফিকের সঙ্গেও চমৎকার জুটি গড়েন মুমিনুল। তাতেই এখন সুবিধাজনক অবস্থানে টাইগাররা।

শান্ত ফেরেন ১০১ রানে। মুমিনুল ৯১ রানে ফেরার পর দারুণ চ্যালেঞ্জটা এখন মুশফিক-লিটনের সামনে। পাকিস্তানের হয়ে একটি করে উইকেট নিয়েছেন শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলী, নোমান আলী ও মোহাম্মদ আব্বাস।

 

news